‘গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা পাচ্ছেন খালেদা জিয়া

 ‘গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা পাচ্ছেন খালেদা জিয়া 

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে ‘গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননায় ভূষিত হতে যাচ্ছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ‘অদম্য নারী পুরস্কার’ কার্যক্রমের আওতায় তাঁকে এই সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে।

শুক্রবার মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা তাহমিনা আক্তার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বেগম খালেদা জিয়াকে ‘গণতন্ত্রের মানসকন্যা’ হিসেবে উল্লেখ করে বলা হয়, আপসহীন সংগ্রামের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে অদম্য নেতৃত্ব দেওয়া এবং গণতান্ত্রিক ধারা প্রতিষ্ঠায় অসামান্য অবদান রাখায় তাঁকে এই পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।

আগামীকাল রোববার (৮ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ সম্মাননা প্রদান করা হবে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, অন্যান্য বছরের মতো এবারও পাঁচটি ক্যাটাগরিতে পাঁচজন নারীকে ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ হিসেবে পুরস্কৃত করা হবে। তাঁরা হলেন অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী নুরুন নাহার আক্তার, শিক্ষা ও চাকরি ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী মোছা. ববিতা খাতুন, সফল জননী নুরবানু কবীর, নির্যাতনের দুঃস্বপ্ন মুছে ফেলে জীবনসংগ্রামে জয়ী নারী মোছা. শমলা বেগম এবং সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখা নারী মোছা. আফরোজা ইয়াসমিন।

জ্বালানি নিয়ে নতুন নিয়ম – তেল বিক্রিতে সীমা


জ্বালানি নিয়ে নতুন নিয়ম – তেল বিক্রিতে সীমা

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার কারণে তেলের বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে। তাই বাংলাদেশ সরকার পেট্রোল ও ডিজেল বিক্রিতে সাময়িক সীমা দিয়েছে।মোটরসাইকেল: দিনে সর্বোচ্চ ২ লিটার

ব্যক্তিগত গাড়ি: দিনে ১০ লিটার

বড় যানবাহন: সর্বোচ্চ ২২০ লিটার

সরকার বলছে আতঙ্কে বেশি কিনে মজুত করার কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাব বাংলাদেশের অর্থনীতিতে

ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনার কারণে জ্বালানি ও গ্যাস আমদানি ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এতে

বিদ্যুৎ ও সার উৎপাদন

জ্বালানি খরচ

দেশের অর্থনীতি

সবকিছুতে চাপ বাড়তে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন।

নতুন সরকারের অর্থনীতি ও জ্বালানি চ্যালেঞ্জ

নতুন সরকারকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বড় সংস্কার করতে হবে বলে বিশ্লেষকরা বলছেন। বিশেষ করে:

নবায়নযোগ্য জ্বালানি বাড়ানো

আমদানি নির্ভরতা কমানো

বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ কমানো

এই বিষয়গুলো এখন সরকারের বড় অগ্রাধিকার।

লন্ডনে বৈঠকে যাচ্ছে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল

বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধি দল লন্ডনে আন্তর্জাতিক আর্থিক বৈঠকে  অংশ নিতে গেছে। এতে অর্থনীতি ও বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা হবে।

মালয়েশিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হলো বাংলাদেশি নাগরিক

একজন বাংলাদেশি নাগরিককে শিশু নির্যাতন সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক মামলায় মালয়েশিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে গেছে FBI। বিষয়টি আন্তর্জাতিকভাবে আলোচিত হয়েছে।

বছর পর ভারতে মুক্তি পেলেন বাংলাদেশি

ভারতের কলকাতা হাইকোর্ট ২১ বছর কারাভোগের পর এক বাংলাদেশি নাগরিককে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। আদালত বলেছে, অপরাধের সময় তিনি অপ্রাপ্তবয়স্ক ছিলেন।

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: তারেক রহমান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় কূটনীতিকদের সম্মানে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে কথা বলেন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেছেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহযোগিতা ও আস্থার ভিত্তিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বাংলাদেশ সব সময় দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয় বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

শুক্রবার কূটনীতিকদের সম্মানে আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, সমৃদ্ধি গড়ে ওঠে সহযোগিতা ও সম্পৃক্ততার মাধ্যমে, বিচ্ছিন্নতার মাধ্যমে নয়।’ প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী প্রধানমন্ত্রীর উদ্ধৃতি দিয়ে বাসসকে এ তথ্য জানান।

প্রধানমন্ত্রী শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় কূটনীতিকদের সম্মানে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেন। ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও বিদেশি মিশনের প্রতিনিধিরা, মন্ত্রিসভার সদস্য এবং সংসদ সদস্যরা ইফতার মাহফিলে অংশ নেন।

ইফতারের আগে দেওয়া বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, ‘আজকের এই ইফতার শুধু একটি আনুষ্ঠানিক আয়োজন নয়; এটি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় নানা জাতি, ধর্ম ও সংস্কৃতির মানুষের পারস্পরিক সম্মান, সহমর্মিতা ও ঐক্যের গুরুত্বের কথা। এই মূল্যবোধই একটি শান্তিপূর্ণ ও সহনশীল সমাজ গঠনের ভিত্তি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকার বিচক্ষণ নিয়ন্ত্রণ শিথিলকরণ নীতি অনুসরণ করবে, ব্যবসা পরিচালনার পরিবেশ আরও সহজ করবে এবং দায়িত্বশীল বিনিয়োগ আকর্ষণে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ গড়ে তুলবে। তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য আমাদের জনগণ ও বেসরকারি খাতের পূর্ণ সম্ভাবনাকে উন্মোচিত করা।’

তারেক রহমান বলেন, পারস্পরিক স্বার্থ, আস্থা ও সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব’ নীতির আলোকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি হবে বাস্তববাদী ও টেকসই। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় অংশীদারত্বকে মূল্যায়ন করি এবং আগামী বছরগুলোতে উন্মুক্ত আলোচনা ও শক্তিশালী সহযোগিতার জন্য উন্মুক্ত রয়েছি।’

তারেক রহমান বলেন, সরকার আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত করা, সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং সমাজের সব স্তরে প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে মানবসম্পদ উন্নয়নে অগ্রসর হওয়ার ওপর গুরুত্ব দেবে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘উদ্যোগ ও উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করে, এমন উদার অর্থনৈতিক নীতিতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রবৃদ্ধির অন্যতম ভিত্তি হিসেবে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব জোরদার করা হবে।’

বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য একটি বহুমুখী, প্রযুক্তিনির্ভর ও টেকসই অর্থনীতি গড়ে তোলা, যা আমাদের তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে, নারীর ক্ষমতায়ন ঘটাবে, উদ্যোক্তা সৃষ্টিকে উৎসাহিত করবে এবং সবার জন্য সমৃদ্ধি নিশ্চিত করবে।’

তারেক রহমান আরও বলেন, সরকার কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা জোরদার করা, পাঠ্যক্রমে তৃতীয় ভাষা অন্তর্ভুক্ত করা এবং গ্রামীণ এলাকায় প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নিয়েছে, যাতে প্রবৃদ্ধির সুফল দেশের প্রতিটি প্রান্তে পৌঁছে যায়।

গণতন্ত্র শুধু ব্যালট বাক্সে সীমাবদ্ধ নয়

তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা স্বীকার করি যে জনগণের আস্থা নির্ভর করে স্বচ্ছতা ও সততার ওপর এবং শাসনের সব স্তরে দুর্নীতি মোকাবিলায় আমরা কঠোর ব্যবস্থা নেব। আমাদের কাছে গণতন্ত্র শুধু ব্যালট বাক্সে সীমাবদ্ধ নয়; এটি অন্তর্ভুক্তি, স্বচ্ছতা ও সংলাপের ধারাবাহিক অঙ্গীকার।’

তারেক রহমান বলেন, সরকারের অঙ্গীকার দৃঢ়—গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করা, আইনের শাসন সমুন্নত রাখা, স্বাধীনতা রক্ষা করা এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করা। তিনি বলেন, ‘মানবাধিকার সুরক্ষা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষা এবং সহনশীলতা ও বহুত্ববাদের সংস্কৃতি গড়ে তুলতেও আমরা সমানভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

তারেক রহমান বলেন, সরকারের উদ্যোগে ধাপে ধাপে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড চালু করা হবে, যাতে প্রতিটি পরিবারের নারী সদস্য এবং কৃষকদের জন্য লক্ষ্যভিত্তিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক সহায়তা প্রদান করা যায়।

পরিবেশ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে জলবায়ু সহনশীলতা ও টেকসই উন্নয়ন এগিয়ে নিতে আমরা আমাদের বৈশ্বিক অংশীদারদের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

এ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী ২০২৬-২৭ মেয়াদের জন্য জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির পদে বাংলাদেশের প্রার্থী হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে সমর্থনের আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির বক্তব্য দেন।

প্রয়োজনে জীবন দেব কিন্তু ২৪ হারিয়ে যেতে দেব না: জামায়াতের আমির
খেলাফত মজলিসের ইফতার অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিচ্ছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। আজ শুক্রবার রাজধানীর একটি হোটেলে

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘বহু ত্যাগ ও কোরবানির বিনিময়ে আমরা ২৪ পেয়েছিলাম। আমরা প্রয়োজনে জীবন দেব কিন্তু ২৪ হারিয়ে যেতে দেব না।’

আজ শুক্রবার বিকেলে খেলাফত মজলিসের ইফতার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শফিকুর রহমান এ কথা বলেন। রাজধানীর পুরানা পল্টনের একটি হোটেলে এই ইফতার আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান বলেন, ‘২৪ না থাকলে কোনো ইন্টিরিম গভর্নমেন্ট নেই, ২৪ না থাকলে ২৬ সালে কোনো নির্বাচন নেই। এই সবকিছুর ভিত্তি হচ্ছে ২৪। সুতরাং, যে ২৪ মানুষের জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার জন্য এসেছিল, যে ২৪–এ অসংখ্য যোদ্ধা জীবন দিয়ে দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছে, আমাদের ঘাড়ের ওপর তাদের লাশ রেখে গেছে, আমরা সেই লাশের অবমাননা করব না, করতে দেব না কাউকে।’

বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, ‘ইতিমধ্যে যেসব বিষয়–আশয় চলে এসেছে, সব কটি আপনারা অবহিত। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি, কোনো অন্যায় করে কেউ পার পাবেন আর আমরা চোখ বন্ধ করে থাকব, এই বাংলাদেশে এটা আর হবে না ইনশা আল্লাহ।’

জামায়াত ভালো কাজে সর্বাত্মক সহযোগিতা এবং মন্দ কাজে শুধু প্রতিবাদ নয়, প্রয়োজনে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে বলেও জানান দলটির আমির।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা আবদুল বাসিত আজাদ বলেন, ‘বাংলাদেশের নবগঠিত সরকার জুলাই সনদ ও গণভোট নিয়ে অপরাজনীতি শুরু করতে চায়। আদালতের ঘাড়ে সওয়ার হয়ে গণভোটকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা করা হলে তার পরিণতি ভালো হবে না। আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, জুলাই সনদে স্বাক্ষরকারী হিসেবে ক্ষমতাসীন দলকে অবশ্যই অঙ্গীকার পূরণ করতে হবে।’

আবদুল বাসিত আজাদ বলেন, গণভোটে বিশাল ব্যবধানে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত হয়েছে। তাই গণরায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সরকারকে সংসদের প্রথম অধিবেশনে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন বিল উত্থাপন করতে হবে। জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গড়িমসি করলে জনগণ ক্ষমা করবে না। ইফতার মাহফিলে স্বাগত বক্তব্য দেন খেলাফত মজলিসের মহাসচিব আহমদ আবদুল কাদের।

খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সাল ও অধ্যাপক আবদুল জলিলের যৌথ পরিচালনায় ইফতার মাহফিলে আরও বক্তব্য দেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন, মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সদস্যসচিব আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের নায়েবে আমির মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, গণ অধিকার পরিষদের মুখপাত্র ফারুক হাসানসহ অনেকে।




Post a Comment

Previous Post Next Post