আজকের বাংলাদেশের প্রধান খবর (২২ মে ২০২৬)
ল্লবীতে নিহত শিশু রামিসার পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আগামী অর্থবছরে নতুন পে-স্কেলের জন্য প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের সম্ভাবনা রয়েছে।
দেশে হাম (Measles) পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে; স্বাস্থ্যখাতে জরুরি পদক্ষেপের আলোচনা চলছে।
বাংলাদেশ ক্রিকেট দল পাকিস্তানকে টেস্ট সিরিজে ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে ঐতিহাসিক জয় পেয়েছে।নারায়ণগঞ্জের “ডোনাল্ড ট্রাম্প” নামে ভাইরাল মহিষ সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনায়।
কুমিল্লা ইপিজেডে হবে জুতা তৈরির কারখানা, চাকরি পাবেন ৫০০ মানুষকুমিল্লা ইপিজেডে কারখানা স্থাপনসংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষের (বেপজা) এবং চীনের এইজার স্যু পার্টস (বিডি) লিমিটেডের কর্মকর্তারা। গত বুধবার রাজধানীর গ্রিনরোডের বেপজা কার্যালয়ে
কুমিল্লা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকায় (কুমিল্লা ইপিজেড) জুতা ও জুতার আনুষঙ্গিক সরঞ্জাম উৎপাদন কারখানা স্থাপন করবে সামোয়া ও চীনের (তাইওয়ান) মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান এইজার স্যু পার্টস (বিডি) লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটি এ জন্য ৫০ লাখ মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে। কারখানাটিতে ৫০০ জন বাংলাদেশি নাগরিকের কর্মসংস্থান হবে।
এ নিয়ে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষের (বেপজা) সঙ্গে একটি ভূমি ইজারা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে এইজার স্যু পার্টস (বিডি) লিমিটেড। গত বুধবার রাজধানীর ঢাকার বেপজা কমপ্লেক্সে চুক্তিটি সই হয়।
বেপজার নির্বাহী পরিচালক (বিনিয়োগ উন্নয়ন) মো. তানভীর হোসেন ও এইজার স্যু পার্টসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জিয়া রুইহং নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন।
চুক্তি অনুযায়ী, এইজার স্যু পার্টস তাদের প্রস্তাবিত কারখানায় বছরে ৩০ লাখ জোড়া ইনসোল, ১২ লাখ জোড়া আউট সোল, ৩২ লাখ জোড়া মিডসোল এবং ১০ লাখ জোড়া পিইউ (পলিইউরেথেন) জুতা উৎপাদন করবে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ইপিজেডে সফল ও নির্বিঘ্ন ব্যবসা পরিচালনায় বেপজার পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করা হবে। বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও রপ্তানি বহুমুখীকরণে বেপজার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
অনুষ্ঠানে বেপজার সদস্য (প্রকৌশল) আবদুল্লাহ আল মামুন, নির্বাহী পরিচালক (এন্টারপ্রাইজ সার্ভিসেস) মো. খুরশিদ আলম, নির্বাহী পরিচালক (প্রশাসন) সমীর বিশ্বাস, নির্বাহী পরিচালক (জনসংযোগ) খাদিজা পারভীনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বিজেপির সাম্প্রতিক জয় রেকর্ডের দিকে এগিয়ে দিল মোদিকেপশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি
নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্ব নিয়ে অল্প অল্প করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল। ২০২৪ সালের নির্বাচনে বিজেপি এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ার পরে অনেকেই বলতে শুরু করেছিলেন, ২০২৯-এর জাতীয় নির্বাচনে মোদিকে সামনে রেখে হয়তো এগোবে না বিজেপি। কিন্তু পরপর কয়েকটি জয় তিনি ও তাঁর দল পেল।
২০২৫ সালে বিহার ও দিল্লিতে, ’২৬–এ আসাম, পশ্চিমবঙ্গে। বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট জিতেছে পদুচেরিতে। তারচেয়েও বড় কথা বিজেপির ব্যাপক অগ্রগতি হয়েছে দক্ষিণ ভারতের দুটি অ-হিন্দি রাজ্য তামিলনাড়ু ও কেরালায়। এসবই নরেন্দ্র মোদির পক্ষে যাচ্ছে।
তামিলনাড়ু ও কেরালা
পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে অনেক লেখালেখি হয়েছে। এখানে দেখা যাক দক্ষিণ ভারতে, যেখানে জাতি বৈশিষ্ট্য ও ভাষা উত্তর ভারতের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা, সেখানে কতটা এগিয়েছে বিজেপি। এই দুই রাজ্যে কখনোই জেতেনি বিজেপি। তবে এবারে তামিলনাড়ু ও কেরালার সম্পূর্ণ ভিন্ন ও অতি প্রাচীন দ্রাবিড় সংস্কৃতির জমিতে ভালো রকম লাভবান হয়েছে বিজেপি।
তামিলনাড়ুতে ১৯৬৭ সালের পরে এই প্রথম রাজ্যের দুটি প্রধান দ্রাবিড় সংস্কৃতিভিত্তিক দল ক্ষমতায় আসেনি। ডিএমকে (দ্রাবিড় মুন্নেত্র কড়গম) বা এআইএডিএমকে (অল ইন্ডিয়া আন্না দ্রাবিড় মুন্নেত্র কড়গম)—এই দুটি দ্রাবিড়ীয় দলকে পেছনে ফেলে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে অভিনেতা জোসেপ বিজয়ের দল তামিলাগা ভেট্রি কড়গম (টিভিকে)।
কিন্তু টিভিকের জয় বিজেপির সুবিধা করে দিল অন্যভাবে। বিজেপির সুবিধা হলো, তাদের অন্যতম প্রধান প্রতিপক্ষ ডিএমকের পরাজয়। একদিকে তামিল জাতীয়তাবাদ এবং অন্যদিকে সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠার আন্দোলন, অর্থাৎ সমাজের নিম্নবর্গকে ওপরে তুলে আনার লড়াইয়ের মধ্যে দিয়ে জন্ম ডিএমকের।
স্বাভাবিকভাবেই এই দল তামিলনাড়ুতে এবং কেন্দ্রে ব্রাহ্মণ্যবাদী হিন্দু দলের বিরোধী। তাদের জয় ভারতে ব্রাহ্মণ্যবাদ–বিরোধী যেকোনো লড়াইয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক। তাদের জয় শুধু তামিলনাড়ুর জয় নয়, গোটা দেশে ব্রাহ্মণ্যবাদের পরাজয়। সেই দলটি হেরে গেল। ডিএমকের পরাজয় আদর্শগতভাবে ব্রাহ্মণ্যবাদভিত্তিক দল বিজেপির জয়।
এটা শুধু একটা প্রতীকী বিষয় নয়, বিজেপির পরবর্তী বড় নির্বাচনী লক্ষ্য রুখতে ডিএমকে একটা বড় অবস্থানও নিয়েছিল। বিজেপির পরবর্তী বড় লক্ষ্য ‘ডিলিমিটেশন’—অর্থাৎ নির্বাচনী কেন্দ্রের সীমানার পুনর্নির্ধারণ। এর ফলে যেসব রাজ্যে জনসংখ্যা বেড়েছে, সেখানে লোকসভার আসনসংখ্যাও বেড়ে যাবে। জনসংখ্যা মূলত বেড়েছে উত্তর ভারতে, অর্থাৎ যেখানে বিজেপি শক্তিশালী সেই অঞ্চলে।
অতএব উত্তর ভারতের সবচেয়ে বড় রাজ্য, যেমন উত্তর প্রদেশে লোকসভার আসন বাড়বে। আর কমবে সেই সব অঞ্চলে যেখানে জনসংখ্যা কমেছে, যেমন তামিলনাড়ুসহ দক্ষিণ ভারতে, যারা জনসংখ্যা কমিয়ে এবং আর্থিক বৃদ্ধি হার বাড়িয়ে জীবনযাপনের মান উন্নয়নে সমর্থ হয়েছে। কিন্তু তাদের এই সাফল্য এখন তাদের বিরুদ্ধে যাচ্ছে, কারণ অনুন্নত অঞ্চলে জনসংখ্যা বেড়ে সেখানে লোকসভার আসন বাড়তে চলেছে। বিষয়টির তীব্র প্রতিবাদ করেছে অনেকে, যাদের প্রধান ছিল ডিএমকে। তারা হারার ফলে ভবিষ্যতে লোকসভাতেও ডিএমকের আসন কমবে বলে ধরে নেওয়া যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে লাভ বিজেপির।
দ্বিতীয় লাভটা আরও সরাসরি। ডিএমকে হারার সঙ্গে সঙ্গে কংগ্রেস যোগ দিয়েছে নতুন দল টিভিকের সঙ্গে, সরকার গড়তে তাদের সাহায্য করেছে। এতে বিপুল খেপে গেছে ডিএমকে, কারণ নির্বাচনের আগে তাদের সঙ্গে জোট বেঁধেছিল কংগ্রেস। তারা এতটাই খেপেছে যে লোকসভার স্পিকারকে তারা জানিয়েছে, সভায় যেন কংগ্রেসের পাশ থেকে তাদের বসার আসন সরিয়ে দেওয়া হয়।
এত দিন বিরোধী ‘ইন্ডিয়া জোটে’র অংশ হিসেবে কংগ্রেস এবং ডিএমকে পাশাপাশি বসত। অর্থাৎ ডিএমকে হারার ফলে বিজেপি বিরোধী জোট, যাকে আরও শক্তিশালী করার কথা বলছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তা বড় ধরনের ধাক্কা খেলো। এটা বিজেপির জন্য বিরাট খুশির খবর।
বিজেপির জন্য খুশির খবর এসেছে দক্ষিণ ভারতের কেরালা থেকেও। সেখানে তারা তিনটি আসন পেয়েছে। এটি কেরালায় বিজেপির বিরাট সাফল্য। ছয়টি আসনে তারা দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। কেরালায় যেখানে ২৭ শতাংশ মুসলমান এবং প্রায় ২০ শতাংশ খ্রিষ্টান, সেখানে বিজেপির এই পারফরম্যান্স নিঃসন্দেহে উদ্বেগে রাখবে কেরালার দুটি প্রধান জোট সিপিআইএম নেতৃত্বাধীন এলডিএফ (লেফট ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট) এবং এবারে ক্ষমতায় আসা কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফকে (ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট)।
সাম্প্রতিক জয়ের ফলে আত্মবিশ্বাস বাড়ল বিজেপির, কমল ‘ইন্ডিয়া জোট’–এর। এসবের ফলে ২০২৯ সালে লোকসভায় নরেন্দ্র মোদিই যদি ফিরে আসেন তবে তিনি জওহরলাল নেহরুর ১৭ বছর প্রধানমন্ত্রী থাকার রেকর্ড ভেঙে বৃহত্তম গণতন্ত্রে সবচেয়ে বেশি দিন প্রধানমন্ত্রী থাকার রেকর্ড গড়বেন।
কেরালায় বিজেপির দ্বিতীয় সাফল্য ইন্ডিয়া জোটের অন্যতম শরিক এবং ভারতের রাজনীতিতে অপর আদর্শবাদী দল সিপিআইএমের (কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া মার্ক্সিস্ট) পরাজয়।
সিপিআইএম নেতৃত্বাধীন বাম জোটের পরাজয়ের ফলে ১৯৭৭ সালের পরে প্রায় ৫০ বছরে এই প্রথম তাদের তিন দুর্গ-রাজ্য কেরালা, ত্রিপুরা বা পশ্চিমবঙ্গে কোনো কমিউনিস্ট পার্টি ক্ষমতায় রইল না।
এটা বিজেপির বড় সাফল্য। ২০১৪ সালে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরে আদর্শভিত্তিক দল হিসেবে এখন মাঠে রইল শুধু ডানপন্থী বিজেপি। বামপন্থীরা তাদের তিন রাজ্যেই ক্ষমতা হারাল।
আসামেও ফের জিতেছে বিজেপি। তাদের সমালোচকদের বক্তব্য, ডিলিমিটেশনের মাধ্যমে তীব্র ধর্মীয় মেরুকরণ এবং সরাসরি নগদ অর্থ প্রদান ও সামাজিক উন্নয়নমূলক প্রকল্প বিজেপির জয়ের কারণ। প্রধান কারণ হিসেবে ডেলিমিটেশনের ওপরেই তাঁরা জোর দিচ্ছেন।
ডিলিমিটেশনের ফলে ১০৪টি হিন্দুপ্রধান এবং ২২টি মুসলিমপ্রধান আসন তৈরি হয়েছিল। এটা নির্বাচনের মেরুকরণ সম্পূর্ণ করেছে, সেটা ফলাফলে প্রতিফলিতও হয়েছে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, সীমানা পুনর্নির্ধারণের ফলে সংখ্যালঘু ভোটের প্রভাব কমেছে, ফলে মুসলিম-নির্ধারক আসনের সংখ্যা ২৯ থেকে কমে ২২-এ দাঁড়িয়েছে।
এতে বিপদে পড়েছে কংগ্রেস। দেখা যাচ্ছে মুসলমান সমাজ, বিশেষ করে আসামের বাঙালি মুসলমান সমাজ, মুসলমানপ্রধান দল অল ইন্ডিয়া ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের থেকে মুখ ফিরিয়ে একচেটিয়াভাবে ভোট দিয়েছে কংগ্রেসকে। কংগ্রেস যে ১৯টি আসন পেয়েছে, তার ১৮ জনই মুসলমান। এর ফলে ভবিষ্যতে কংগ্রেসকে মানুষ সংখ্যালঘুকেন্দ্রিক দল বলে চিহ্নিত করবেন। আর উল্টো দিকের হিন্দু ভোট একত্র হয়ে চলে যাবে বিজেপিতে। বিষয়টি মাথায় রেখেই, বিজেপি কোনো মুসলিম প্রার্থী দাঁড় করায়নি।
চার রাজ্য ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে (পদুচেরি) নির্বাচন সমাধা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ভারতে নির্বাচনী মৌসুম শুরু হয়ে গেল। আগামী বছর থেকে পরপর নির্বাচন হবে। ভারতের ২৮টি রাজ্যের মধ্যে ১৬টিতে নির্বাচন হবে ২০২৭ এবং ’২৮ সালে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় রাজ্য উত্তর প্রদেশও রয়েছে।
সাম্প্রতিক জয়ের ফলে আত্মবিশ্বাস বাড়ল বিজেপির, কমল ‘ইন্ডিয়া জোট’–এর। এসবের ফলে ২০২৯ সালে লোকসভায় নরেন্দ্র মোদিই যদি ফিরে আসেন তবে তিনি জওহরলাল নেহরুর ১৭ বছর প্রধানমন্ত্রী থাকার রেকর্ড ভেঙে বৃহত্তম গণতন্ত্রে সবচেয়ে বেশি দিন প্রধানমন্ত্রী থাকার রেকর্ড গড়বেন।
বিশ্বকাপের পর উরুগুয়ে কোচের দায়িত্ব ছাড়ার ইঙ্গিত বিয়েলসার
আগামী জুলাইয়ের পর উরুগুয়ের কোচ পদে আর নাও থাকতে পারেন মার্সেলো বিয়েলসা। আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি এই কোচ গতকাল স্থানীয় সময় রাতে উরুগুয়ে ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এইউএফ) আয়োজিত সেমিনারে নিজেই এ কথা জানান।
যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় আগামী ১১ জুন বিশ্বকাপ শুরু হয়ে শেষ হবে ১৯ জুলাই। অর্থাৎ বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর উরুগুয়ের কোচ পদ ছেড়ে দিতে পারেন বিয়েলসা। ৭০ বছর বয়সী বিয়েলসা সেমিনারে বলেন, ‘বিশ্বকাপের সঙ্গে আমাদের কাজ ফুরোবে।’
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, বিয়েলসা তাঁর এই মন্তব্যের বিশদ ব্যাখ্যা দেননি। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, বিশ্বকাপের পর বর্তমান চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে কোচের দায়িত্ব ছাড়বেন ‘এল লোকো’ (পাগল) নামে খ্যাত বিয়েলসা। কোচ হিসেবে বড় কোনো ট্রফি জিততে না পারলেও অপরিসীম ফুটবল-জ্ঞান এবং পেপ গার্দিওলা, ডিয়েগো সিমিওনের মতো কোচদের আদর্শিক গুরু হওয়ায় ‘কোচদের কোচ’ নামেও খ্যাতি আছে বিয়েলসার।
উরুগুয়ের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা লুইস সুয়ারেজ সমালোচনা করার পর খেলোয়াড়দের সঙ্গে বিয়েলসার সম্পর্কের অবনতি হয়। অভ্যন্তরীণ কোন্দলও তৈরি হয়, যা দলের ওপর তাঁর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নানা প্রশ্নের জন্ম দেয়।
সম্প্রতি উরুগুয়ের মাঠের পারফরম্যান্সেও ধারাবাহিকতার অভাব দেখা গেছে। গত মার্চে আন্তর্জাতিক বিরতিতে ইংল্যান্ড ও আলজেরিয়ার বিপক্ষে ড্র এবং গত নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ৫-১ গোলে বিধ্বস্ত হয় দুবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।
আগামী ১৫ জুন ‘এইচ’ গ্রুপে সৌদি আরবের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে উরুগুয়ের বিশ্বকাপ অভিযান। গ্রুপ পর্বে তাদের অন্য দুই প্রতিপক্ষ কেপ ভার্দে ও স্পেন।
‘শাকিবের পরী’, নায়িকার নতুন ছবি দেখে লিখলেন ভক্তগোলাপি শাড়িতে একগুচ্ছ নতুন ছবি পোস্ট করেছেন জ্যোতির্ময়ী কুণ্ডু। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
ছবিগুলো বেশ পছন্দ করেছেন ভক্তরা। একজন লিখেছেন, ‘শাকিবের পরী।’ অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
প্রিন্স’ ছবিতে শাকিবের দুই নায়িকার একজন ছিলেন জ্যোতির্ময়ী কুণ্ডু। ছবির একটি গান ছিল ‘পরী’। মন্তব্যে সেটাই বোঝাতে চেয়েছেন ভক্ত। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
তারপর ২০২৫ সালে দেবের বিপরীতে ‘প্রজাপতি ২’ সিনেমায় বড় পর্দায় অভিষেক হয় তাঁর। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
‘প্রিন্স: ওয়ানস আপন আ টাইম ইন ঢাকা’ দিয়ে বাংলাদেশের সিনেমায় অভিষেক হয়েছে কলকাতার অভিনেত্রী জ্যোতির্ময়ী কুণ্ডুর। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ সরব এই অভিনেত্রী। ছবিতে ছবিতে জেনে নেওয়া যাক তাঁর সম্পর্কে কিছু তথ্য—


মোংলা বন্দরে ১৩৯ পদের বড় নিয়োগনৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষে নিয়োগ আবেদন চলছে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বিভিন্ন গ্রেডের ১৭টি পদে ১৩৯ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ পাবেন। আগ্রহী ব্যক্তিদের আবেদন করতে হবে অনলাইন। আবেদন শুরু হয়েছে ২৯ এপ্রিল। আবেদনের সুযোগ ২৩ মে ২০২৬ পর্যন্ত।
চাকরি বিবরণ—
১. পদের নাম: চিকিৎসা কর্মকর্তা
পদসংখ্যা: ১
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এক বছরের ইন্টার্ন ট্রেনিংসহ এমবিবিএস ডিগ্রি।
বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।
২. পদের নাম: চিকিৎসা কর্মকর্তা (অস্থায়ী রাজস্ব)
পদসংখ্যা: ১
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এক বছরের ইন্টার্ন ট্রেনিংসহ এমবিবিএস ডিগ্রি।
বে৩. পদের নাম: পরিসংখ্যান কর্মকর্তা
পদসংখ্যা: ১
শিক্ষাগত যোগ্যতা: অর্থনীতি/পরিসংখ্যান/অঙ্ক বিষয়ে প্রথম শ্রেণির স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অথবা দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতকোত্তরসহ (সম্মান) দ্বিতীয় শ্রেণির ডিগ্রি। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা অগ্রাধিকারযোগ্য।
বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।
৪. পদের নাম: অর্থ কর্মকর্তা
পদসংখ্যা: ১
শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিসাববিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অথবা দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতকসহ (সম্মান) দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অথবা অ্যাকাউন্টিংয়ে মেজরসহ এমবিএ থাকতে হবে।
বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।
৫. পদের নাম: নিরাপত্তা কর্মকর্তা
পদসংখ্যা: ১
শিক্ষাগত যোগ্যতা: সামরিক বা আধা সামরিক বাহিনীর জুনিয়র কমিশনপ্রাপ্ত বা তদূর্ধ্ব কর্মকর্তা অথবা স্নাতক ডিগ্রিসহ পুলিশ বা আনসার বিভাগের পদে চার বছরের অভিজ্ঞতা।
বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।
৬. পদের নাম: ট্রাফিক অফিসার
পদসংখ্যা: ২
শিক্ষাগত যোগ্যতা: প্রথম শ্রেণির স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অথবা দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতকসহ দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে।
বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।
পদসংখ্যা: ১
শিক্ষাগত যোগ্যতা: নৌ অথবা নৌ স্থাপত্য বিষয়ে কমপক্ষে স্নাতক প্রকৌশল ডিগ্রি/ডিওটি দ্বিতীয় শ্রেণি।
বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।
৮. পদের নাম: সহকারী নিরাপত্তা
পদসংখ্যা: ১
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক ডিগ্রিসহ সংশ্লিষ্ট কাজে তিন বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন সামরিক/আধা সামরিক/পুলিশ/আনসার বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত জেসিও বা সমমানের কর্মকর্তা।
বেতন স্কেল: ১২,৫০০-৩০,২৩০ টাকা।
৯. পদের নাম: টেকনিশিয়ান (প্যাথলজি)
পদসংখ্যা: ১
শিক্ষাগত যোগ্যতা: প্যাথলজিতে ডিপ্লোমা বা প্যারামেডিকস সার্টিফিকেটসহ এইচএসসি পাস হতে হবে।
বেতন স্কেল: ১১,৩০০-২৭,৩০০ টাকা।
১০. পদের নাম: গবেষণা সহকারী
পদসংখ্যা: ১
শিক্ষাগত যোগ্যতা: অর্থনীতি/পরিসংখ্যান/গণিতসহ দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে।
বেতন স্কেল: ১১,৩০০-২৭,৩০০ টাকা।
১১. পদের নাম: রেডিওগ্রাফার/রেডিওগ্রাফিস্ট
পদসংখ্যা: ১
শিক্ষাগত যোগ্যতা: রেডিওগ্রাফিতে ডিপ্লোমাসহ যেকোনো স্বীকৃত বোর্ড থেকে এসএসসি পাস হতে হবে।
বেতন স্কেল: ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা।
১২. পদের নাম: মেডিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট
পদসংখ্যা: ১
শিক্ষাগত যোগ্যতা: মেডিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট কোর্সসহ এসএসসি পাস।
বেতন স্কেল: ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা।
১৩. পদের নাম: কম্পাউন্ডার
পদসংখ্যা: ২
শিক্ষাগত যোগ্যতা: কম্পাউন্ডারশিপ সার্টিফিকেটসহ স্বীকৃত বোর্ড থেকে এসএসসি পাস হতে হবে।
বেতন স্কেল: ৯,৭০০-২৩,৪৯০ টাকা।
১৪. পদের নাম: লিডিং ফায়ারম্যান
পদসংখ্যা: ২
শিক্ষাগত যোগ্যতা: অষ্টম শ্রেণি পাসসহ ফায়ার সার্ভিস বা সিভিল ডিফেন্সে ট্রেনিংপ্রাপ্ত হতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে তিন বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
বেতন স্কেল: ৯,০০০-২১,৮০০ টাকা।
১৫. পদের নাম: নিরাপত্তা হাবিলদার
পদসংখ্যা: ২
শিক্ষাগত যোগ্যতা: ক. এইচএসসি পাস, খ. অস্ত্র বিষয়ে আনসারের ৭০ দিনব্যাপী মৌলিক প্রশিক্ষণের সনদপ্রাপ্ত।
বেতন স্কেল: ৮,৮০০-২১,৩১০ টাকা।
১৬. পদের নাম: সুইপার কাম মালি
পদসংখ্যা: ২
শিক্ষাগত যোগ্যতা: মালি হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতাসহ অষ্টম শ্রেণি পাস হতে হবে।
বেতন স্কেল: ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা।
১৭. পদের নাম: নিরাপত্তাপ্রহরী
পদসংখ্যা: ১১৮
শিক্ষাগত যোগ্যতা: ক. এসএসসি পাস হতে হবে, খ. অস্ত্র বিষয়ে আনসারের ৭০ দিনব্যাপী মৌলিক প্রশিক্ষণের সনদপ্রাপ্ত।
বেতন স্কেল: ৮২৫০-২০০১০ টাকা।
আবেদনে বয়সসীমা—
১ থেকে ৪, ৬, ৭, ১০ ও ১৪ থেকে ১৭ নম্বর প্রার্থীর ক্ষেত্রে ১ মার্চ ২০২৬ তারিখে সর্বনিম্ন ১৮ থেকে ৩০ বছর হতে হবে।
আবেদনের প্রক্রিয়া—
প্রার্থীকে ওয়েবসাইটে নিবন্ধন (রেজিস্ট্রেশন) করতে হবে। এরপর নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী আবেদন সম্পন্ন করতে হবে। আবেদন ও ফি জমাদানের প্রক্রিয়া শেষ হলে, প্রার্থীরা www.mpajobsbd.com পোর্টালে লগইন করে তাঁদের ড্যাশবোর্ড থেকে আবেদনপত্রের কপি ও পেমেন্ট স্লিপ ডাউনলোড করতে পারবেন।তন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।
আবেদন ফি—
১ থেকে ৭ নম্বর পদের জন্য ২২৩ টাকা, ৮ থেকে ১০ নম্বর পদে ১৭২ টাকা, ১১ থেকে ১৩ নম্বর পদের জন্য ১২১ টাকা ও ১৪ থেকে ১৭ নম্বর পদের জন্য ৬৯ টাকা। সব গ্রেডের পদের ক্ষেত্রে অনগ্রসর শ্রেণির (যেমন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, শারীরিক প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গ) প্রার্থীদের জন্য ৬৯ টাকা।
আবেদনে গুরুত্বপূর্ণ তারিখ—
* আবেদনের শেষ সুযোগ: ২৩ মে ২০২৬ পর্যন্ত।
* বিস্তারিত দেখতে ক্লিক করুন এখানে
ঈদে যাত্রাপথে শিশু বমি করলে কী করবেনসাধারণত ৩ থেকে ১২ বছর বয়সীরা সবচেয়ে বেশি মোশন সিকনেসে ভোগে
দুই বছরের নিচের শিশুদের এ সমস্যা তেমন দেখা দেয় না। সাধারণত ৩ থেকে ১২ বছর বয়সীরা সবচেয়ে বেশি এ সমস্যায় ভোগে। মেয়েশিশুদের এ সমস্যা বেশি দেখা যায়। যেসব শিশুর মোশন সিকনেস আছে, তাদের বাস, গাড়ি, ট্রেন, স্টিমার, লঞ্চ বা যেকোনো যানবাহন চলার কিছু সময়ের মধ্যেই মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব, বমি হয়ে যায়। এমনকি দোলনায় কিছুক্ষণ ঝুললেও এই সিকনেস হতে পারে। বেশির ভাগ সময়েই বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এ সমস্যাগুলো কমে যায়।
কেন হয়
কিছু শিশুর মস্তিষ্ক অন্যদের তুলনায় বেশি সংবেদনশীল থাকে বলে মোশন সিকনেসের ঘটনা তাদের বেলায় বেশি ঘটে। প্রকৃত এবং প্রত্যাশিত গতির মধ্যে পার্থক্যের কারণে এই অসুস্থতা দেখা দেয়। সাধারণত যানবাহন চলতে অথবা দোলনা দুলতে শুরু করলে গতির সঙ্গে সঙ্গে অন্তঃকর্ণের এন্ডোলিম্ফ নামের তরল পদার্থ নড়াচড়া শুরু করে।
সেখান থেকে চলনশীলতার সংকেত যায় মস্তিষ্কে। কিন্তু চলন্ত অবস্থায় শিশুর দৃষ্টি গাড়ির ভেতরেই স্থির থাকে, তখন চোখ সংকেত দেয় স্থির আছি। ফলে মস্তিষ্ক, চোখ আর অন্তঃকর্ণের সংকেতের মধ্যে বিভ্রান্তিকর অসামঞ্জস্য তৈরি হয়, যে কারণে এমন সংকেত সৃষ্টি হয় যে শিশুর বমিভাব হয়। গাড়ির ভেতরে আবদ্ধ বা ভ্যাপসা ভাব থাকলে এ সমস্যা আরও বেড়ে যায়। বেশির ভাগ সময়েই বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সমস্যাগুলো কমে যায়। তবে কারও কারও ক্ষেত্রে প্রায় সারা জীবনই এ সমস্যা থেকে যায়।
পেট গুলানো ভাব দিয়ে শুরু হয় মোশন সিকনেস, কোনো কোনো ক্ষেত্রে ঘাম দিয়ে দুর্বল ও নিস্তেজ হয়ে বমি করে দিতে পারে শিশু। কখনো কখনো ঠিক কেমন লাগছে, ঠিকমতো বলতেও পারে না শিশু। অস্থির হয়ে কান্নাকাটি করে। অনেক সময় অতিরিক্ত বমি হয়ে পানিশূন্যতা, লবণপানির তারতম্যও দেখা দিতে পারে।
প্রতিকার
এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে নিচের কাজগুলো করা যেতে পারে:
সাধারণত গাড়ি চলা বন্ধ হলে বমিভাব আর থাকে না। যাত্রাপথ বেশি দীর্ঘ হলে রাস্তায় মাঝে মাঝে যাত্রাবিরতি দিতে হবে।
যাত্রার শুরুতে শিশুকে হালকা খাবার দেওয়া যেতে পারে। ভারী পেট অথবা ক্ষুধা পেট, দুটোই বমি বাড়িয়ে দিতে পারে।
ভ্রমণের সময় এমনভাবে ঠিক করতে হবে, যেন শিশু ঘুমিয়ে থাকতে পারে। যতক্ষণ সে ঘুমিয়ে থাকবে, ততক্ষণ তার মোশন সিকনেস হবে না অথবা জেগে গেলেও তুলনামূলক কম ক্লান্তি লাগবে।
মোশন সিকনেসের অস্বস্তিকর অনুভূতি থেকে শিশুর মনোযোগ সরানোর জন্য তার সঙ্গে গল্প করা যেতে পারে, গান শোনানো যেতে পারে।
জানালা দিয়ে বাইরের প্রকৃতি দেখানো যেতে পারে। এতে শিশু আনন্দিত হবে, মোশন সিকনেসও কিছুটা কমবে।
অনেকের ক্ষেত্রে বই, পত্রিকা ইত্যাদি পড়তে থাকলে বমি বমি ভাব বা বমি হওয়ার আশঙ্কা বেশি হয়, সে ক্ষেত্রে যাত্রাপথে এ অভ্যাস পরিহার করাই ভালো।
গাড়ির ভেতরে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা মোশন সিকনেস কমাতে ভূমিকা রাখে। তাই বমিভাব লাগলে জানালাটা খুলে দিলেও ভালো লাগবে।
ধীরে ধীরে শিশুকে বারবার ভ্রমণ করিয়ে সহনশীলতা তৈরি করতে হবে।
এগুলোর কোনোটাই যদি কাজে না আসে তবে কিছুক্ষণ চোখ বন্ধ করে কাঁধে হেলান দিয়ে বা কোলে মাথা রেখে শুইয়ে দেওয়া যেতে পারে। ঘুম ঘুম ভাব কিছুটা উপকারে আসতে পারে।
বেশ কিছু ওষুধ আছে, এ সমস্যায় বেশ কার্যকর। যদি আগে থেকেই জানা থাকে শিশুর মোশন সিকনেস আছে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে যাত্রার সময় ওষুধ ব্যাগে রাখাই শ্রেয়। যদিও ওষুধগুলো ওভার দ্য কাউন্টার ড্রাগ হিসেবে সহজলভ্য, তবু চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী শিশুকে দেওয়াই ভালো।






Post a Comment