আজকের বাংলাদেশের প্রধান খবর (২৪ মে ২০২৬)

 

আজকের বাংলাদেশের প্রধান খবর (২৪ মে ২০২৬) 



অর্থনীতি

  • বাংলাদেশ ব্যাংক বেসরকারি খাতের জন্য প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। রপ্তানি ও শিল্পখাতকে সহায়তা দিতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য

  • দেশে হাম (Measles) পরিস্থিতি উদ্বেগজনক আকার নিয়েছে। ২০২৬ সালে সন্দেহভাজন ও নিশ্চিত মিলিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়েছে বলে আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আইন ও মানবাধিকার

  • পল্লবীর শিশু রামিসা হত্যা মামলায় দ্রুত বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জোরালো হয়েছে। বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন উদ্বেগ জানিয়েছে।

রাজনীতি

  • ছাত্রনেতৃত্বাধীন নতুন রাজনৈতিক শক্তি এনসিপি ও বিএনপির মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। সাম্প্রতিক বক্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সংস্কৃতি

  • সরকার ২৫ মে ২০২৬ থেকে “নজরুল বর্ষ” পালনের ঘোষণা দিয়েছে।

সীমান্ত ও নিরাপত্তা

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে স্মার্ট বর্ডার প্রকল্প ও কাঁটাতারের কাজ নিয়ে নতুন আলোচনা চলছে। 

ঈদযাত্রায় দুর্ভোগ হতে পারে কোন তিন মহাসড়কে
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক

ঈদ উদ্‌যাপনে ঘরমুখী মানুষের যাত্রা শুরু হয়েছে গতকাল শনিবার। তবে এখনো মূল চাপ বাকি আছে। রেল ও পরিবহন খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, ঘরমুখী মানুষের মূল ভিড় হবে

আগামী সোম থেকে বুধবার—এই তিন দিন। একদিকে ঢাকা থেকে মানুষ ছুটবে বাড়ির পথে আর ঢাকার পথে আসতে থাকবে কোরবানির পশু।

এবার দেশের সড়ক-মহাসড়কগুলোর অবস্থা মোটামুটি ভালো বলা যায়। তবে উন্নয়ন প্রকল্পের কারণে ঢাকা-সিলেট ও ঢাকা-উত্তরবঙ্গের পথে জটের আশঙ্কা আছে। ইতিমধ্যে হাইওয়ে পুলিশ মহাসড়কের ৯৪টি স্থান চিহ্নিত করেছে, যেসব স্থানে যানজট হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এর মধ্যে বড় সেতুর বেশ কিছু টোল প্লাজা, মোড় এবং গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও বাজার এলাকা রয়েছে। ফলে শেষ তিন দিনের ঈদযাত্রায় ভোগান্তি হবে কি না, তা ব্যবস্থাপনার ওপর নির্ভর করছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

আগামী সোম থেকে বুধবার—এই তিন দিন। একদিকে ঢাকা থেকে মানুষ ছুটবে বাড়ির পথে আর ঢাকার পথে আসতে থাকবে কোরবানির পশু।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা দেখিয়েছেন যে ঈদের আগের তিন-চার দিনে ১ কোটি ২০ লাখ থেকে দেড় কোটি মানুষ ঢাকা ছাড়েন। বিশেষ করে ঈদুল আজহায় সবচেয়ে বেশি মানুষ ঢাকা ছাড়েন, অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে ৩৫ লাখ মানুষ ঢাকা ছাড়বেন। কিন্তু বাস, ট্রেন, লঞ্চ, মোটরসাইকেলসহ সব মিলিয়ে ২২ লাখ মানুষের যাতায়াতের ব্যবস্থা আছে। অন্যদের চাহিদা মেটাতে চলাচলের অনুপযোগী যানবাহন নেমে যায়।

এবার পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটি সাত দিন। ২৫ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত ছুটি থাকবে। গত কয়েকটি ঈদে লম্বা ছুটি দেওয়া হয়েছিল। এতে কিছুটা সফলতাও পাওয়া গেছে। তবে শেষ দু-তিন দিনের চাপ রয়েই গেছে।

হাইওয়ে পুলিশ মহাসড়কের ৯৪টি স্থান চিহ্নিত করেছে, যেসব স্থানে যানজট হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

তিন মহাসড়ক নিয়ে উদ্বেগ বেশি

প্রতিবছর ঈদ উপলক্ষে যানজটপ্রবণ স্থান চিহ্নিত করে হাইওয়ে পুলিশ। হাইওয়ে পুলিশের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও গাজীপুর অঞ্চলের পক্ষ থেকে এবার যানজটপ্রবণ হিসেবে ৯৪টি স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব স্থান দেশের মূল সাতটি মহাসড়কের ওপর পড়েছে। এই সাত মহাসড়ক দেশের প্রায় সব বিভাগ ও জেলাকে সংযুক্ত করেছে।

৫ মে সচিবালয়ে সড়ক, রেল ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের সভাপতিত্বে ঈদ প্রস্তুতিমূলক সভা হয়। সেখানে ৯৪টি যানজটপ্রবণ স্থানের বিস্তারিত তুলে ধরে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় করণীয় সম্পর্কে আলোচনা হয়। পাশাপাশি সরকারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট অন্য দপ্তরগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

হাইওয়ে পুলিশের তালিকায় সবচেয়ে বেশি যানজটপ্রবণ মহাসড়ক হচ্ছে ঢাকা-উত্তরবঙ্গ, ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক। এই তিন মহাসড়কের মধ্যে উত্তরের পথে ২৫টি, চট্টগ্রামের পথে ২৫টি ও সিলেটের পথে ২১টি যানজটপ্রবণ স্থান রয়েছে।

ঢাকা থেকে টাঙ্গাইল হয়ে উত্তরের পথে যাতায়াতের মহাসড়কে গাজীপুরের চন্দ্রা উড়ালসড়কের পশ্চিম প্রান্ত খুবই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে দেখানো হয়েছে। এই পথে চার লেনের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। কিন্তু কিছু পাতাল ও উড়ালসড়কের কাজ এখনো কিছুটা বাকি আছে। এসব স্থানে যানজটের আশঙ্কা করছে হাইওয়ে পুলিশ।

এ ছাড়া ঢাকা থেকে টাঙ্গাইলের মধ্যে প্রচুর পোশাক কারখানা রয়েছে। অনেক কারখানার পাশে মহাসড়কের বিভাজক কেটে পারাপারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সেগুলোতেও যানজটের শঙ্কা করা হচ্ছে। মহাসড়কের পাশের বাসস্ট্যান্ড এবং বাজারগুলোকেও নজরে রাখার কথা বলা হয়েছে।

হাইওয়ে পুলিশের তালিকায় সবচেয়ে বেশি যানজটপ্রবণ মহাসড়ক হচ্ছে ঢাকা-উত্তরবঙ্গ, ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক। এই তিন মহাসড়কের মধ্যে উত্তরের পথে ২৫টি, চট্টগ্রামের পথে ২৫টি ও সিলেটের পথে ২১টি যানজটপ্রবণ স্থান রয়েছে।

ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করার প্রকল্প চলছে। এর মধ্যে আশুগঞ্জ গোলচত্বর ও বিশ্বরোড মোড় গত দুই ঈদে যাত্রীদের ভুগিয়েছে। এবারও এই দুটি স্থানে খানাখন্দ রয়েছে। আছে অব্যবস্থাপনাও। এ ছাড়া নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদীর শিল্প এলাকার অনেক স্থানে যানজটের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মধ্যে মেঘনা-গোমতী সেতুর টোল প্লাজায় প্রায়ই যানজট হয়। এবার ঈদেও সেতুর টোল প্লাজা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। এ ছাড়া কুমিল্লার মাধাইয়া, চান্দিনা ও নিমসার বাজারগুলো মহাসড়কের পাশেই। এই এলাকাতেও যানজট হতে পারে বলে উল্লেখ করেছে হাইওয়ে পুলিশ। ঢাকা-বরিশাল পথে মহাসড়কের অবস্থা ভালোই। তবে মাদারীপুরের মোস্তফাপুর বাসস্ট্যান্ডে যানজটের আশঙ্কা রয়েছে।

ঢাকা থেকে বের হওয়া নিয়ে ভয়

ঢাকা থেকে বের হওয়ার সবচেয়ে বড় তিনটি পথ হলো গাবতলী-সাভার, উত্তরা-আবদুল্লাহপুর ও মেয়র হানিফ উড়ালসড়ক। ঈদুল আজহায় এই তিন পথেই কোনো না কোনো বাধা রয়েছে। মেয়র হানিফ উড়ালসড়কের টোল প্লাজা হয়ে ঢাকা-সিলেট, ঢাকা-চট্টগ্রাম এবং ঢাকা-মাওয়া—এই তিন পথের যানবাহন চলাচল করে। গত কয়েকটি ঈদে এ উড়ালসড়কের টোল পরিশোধ করতে গিয়ে দীর্ঘ জট হয়েছে। এবারও সেই শঙ্কা কাজ করছে।

উত্তরা হয়ে ময়মনসিংহ ও উত্তরবঙ্গের পথে যান চলাচল করে। বিমানবন্দর-গাজীপুরের মধ্যে বিআরটি প্রকল্পের কারণে এই পথে দুর্ভোগ দীর্ঘদিনের। এ ছাড়া ঢাকা-আশুলিয়া উড়ালসড়ক নির্মাণকাজের জন্যও ভোগান্তি হচ্ছে এখনই। তুলনামূলকভাবে গাবতলী হয়ে উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যাতায়াতের পথ অনেকটাই মসৃণ। কিন্তু গাবতলী পশুর হাট, সাভারের হেমায়েতপুরে বাস থামিয়ে যাত্রী ওঠানামার কারণে জট বাড়তে পারে।

হাইওয়ে পুলিশের তালিকায় সবচেয়ে বেশি যানজটপ্রবণ মহাসড়ক হচ্ছে ঢাকা-উত্তরবঙ্গ, ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক। এই তিন মহাসড়কের মধ্যে উত্তরের পথে ২৫টি, চট্টগ্রামের পথে ২৫টি ও সিলেটের পথে ২১টি যানজটপ্রবণ স্থান রয়েছে।

গত শুক্রবার ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক ও নবীনগর থেকে চন্দ্রা মহাসড়কের বেশ কয়েকটি স্থান ঘুরে দেখা যায়, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের হেমায়েতপুর, বলিয়ারপুর, সাভারের পাকিজা পয়েন্ট, থানা স্ট্যান্ড, সাভার বাজার, নবীনগর এবং নবীনগর থেকে চন্দ্রা মহাসড়কের বাইপাইল, পল্লী বিদ্যুৎ ও বলিভদ্র এলাকায় বেপরোয়াভাবে মহাসড়কে নিষিদ্ধ ব্যাটারিচালিত রিকশা চলছে। সাভার, নবীনগর, রেডিও কলোনি ও বাইপাইল বাসস্ট্যান্ডে যাত্রীপরিবহন বাসগুলোকে মহাসড়কের নিরবচ্ছিন্নভাবে চলাচলের লেনে আড়াআড়ি করে পেছনের বাসকে আটকে দিয়ে যাত্রী ওঠানামা করাতে দেখা যায়। বাসস্ট্যান্ডের নির্দিষ্ট স্থান ছাড়াও এলোমেলোভাবে যত্রতত্র বাস থামিয়ে যাত্রী ওঠানামা করাতে দেখা যায়।রংপুর থেকে ঢাকাগামী আসাদ পরিবহনের চালক শামীম বলেন, এখন সড়কে সমস্যা তেমন নেই। ঈদের আগে সমস্যা হবে। সড়কে পুলিশ ঠিকঠাক দায়িত্ব পালন করলে সমস্যা কম হবে বলে মনে করেন তিনি।

ঢাকা জেলা (উত্তর) ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক (প্রশাসন) রুহুল আমিন সোহেল প্রথম আলোকে বলেন, মহাসড়কে ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে আগামীকাল (রোববার) সকাল আটটা থেকে নিয়মিত ট্রাফিক পুলিশের পাশাপাশি ঢাকা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত আরও ৬৫০ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবেন।

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল বিশ্বরোড মোড় গোল চত্বরকেন্দ্রিক যানজট নিত্যদিনের ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। চলমান উন্নয়নকাজের জন্য গোলচত্বর এলাকা একদিকে সংকীর্ণ আর মহাসড়কের সিএনজিচালিত অটোরিকশার অবৈধ স্ট্যান্ড, অন্যদিকে খানাখন্দের কারণে এ অবস্থা চলছে। মহাসড়কের ৩৪ কিলোমিটার অংশে ঈদ উপলক্ষে যানবাহনের চাপ বেড়ে যানজট হচ্ছে।

গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে হাইওয়ে পুলিশের সিলেট অঞ্চলের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. রেজাউল করীমকে বিশ্ব রোড মোড় গোলচত্বরে অবস্থান করতে দেখা গেছে। তিনি মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে চেষ্টা করছেন। তবে মহাসড়কে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও অন্যান্য অবৈধ যানবাহনকে অনিয়ন্ত্রিত থাকতে দেখা গেছে।

উদ্যোগ আছে, এরপরও শঙ্কা

অবশ্য সরকার ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছে। এর মধ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, যানজট নিয়ন্ত্রণ ও জনসাধারণের নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিতে ঢাকাসহ আশপাশের এলাকায় বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

সম্প্রতি বিজিবি বলেছে, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী ঈদের সাত দিন আগে থেকে শুরু করে ঈদ–পরবর্তী তিন দিন পর্যন্ত বিজিবির সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ টোল প্লাজা, মহাসড়ক ও যানজটপ্রবণ এলাকায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রমে তাঁরা সহায়তা করবেন।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) ১৯ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছেন। এ ছাড়া রাজধানীর বাস টার্মিনালগুলোতে তাঁদের তদারকি দল কাজ করছে।

চার লেনের চওড়া সড়ক হয়েছে। তবে সক্ষমতা বাড়েনি। আছে অব্যবস্থাপনাও। ঈদে সরকারের সংস্থাগুলো গায়ে-গতরে খেটে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করে। তবে কোনো দুর্ঘটনা, বৃষ্টি কিংবা অন্য কোনো সমস্যা হলে সেই চেষ্টা কাজে দেয় না। ফলে ভোগান্তি হওয়ার সম্ভাবনা থেকেই যাচ্ছে।
বুয়েট পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ও পরিবহনবিশেষজ্ঞ মো. হাদীউজ্জামান

সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তর এবং সেতু বিভাগ গুরুত্বপূর্ণ ১২টি সেতুতে ভিসা ও মাস্টারকার্ডের মাধ্যমে টোল আদায় ব্যবস্থা চালু করেছে। টোল প্লাজায় যন্ত্র থাকবে, সেখানে কার্ড স্পর্শ করে দ্রুত পারাপার হওয়া যাবে।

সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয় ও পরিবহন ব্যবসায় যুক্ত সূত্রগুলো বলছে, ঈদের আগে বৃষ্টি হলে জট বেড়ে যেতে পারে। কারণ, অনেক মহাসড়কে উন্নয়নকাজ শেষ হয়নি। আর বৃষ্টিতে যানবাহনের গতি কমে যায়। আরেকটি সমস্যা হচ্ছে, ঈদে চলাচলের অনুপযোগী বাস নামে। ঈদুল আজহায় এর সঙ্গে চলাচল অনুপযোগী ট্রাকও নামে। এসব ট্রাক ফিরতি পথে আবার যাত্রী নিয়ে যায়। এসব বিষয়ে ব্যবস্থাপনায় ত্রুটি হলে যানজটের ঝুঁকি বাড়বে।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ও পরিবহনবিশেষজ্ঞ মো. হাদীউজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, চার লেনের চওড়া সড়ক হয়েছে। তবে সক্ষমতা বাড়েনি। আছে অব্যবস্থাপনাও। ঈদে সরকারের সংস্থাগুলো গায়ে-গতরে খেটে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করে। তবে কোনো দুর্ঘটনা, বৃষ্টি কিংবা অন্য কোনো সমস্যা হলে সেই চেষ্টা কাজে দেয় না। ফলে ভোগান্তি হওয়ার সম্ভাবনা থেকেই যাচ্ছে।

[প্রতিবেদন তৈরিতে সহায়তা করেছেন নিজস্ব প্রতিবেদক, সাভার, ঢাকা ও প্রতিনিধি, সরাইল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া]

হোয়াইট হাউসের কাছে গোলাগুলির সময় ট্রাম্প ছিলেন ভেতরেই
হোয়াইট হাউসের বাইরে গুলির ঘটনার পর সিক্রেট সার্ভিসের সদস্যরা। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াযুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে দেশটির প্রেসিডেন্টের সরকারি আবাস ও কার্যালয় হোয়াইট হাউসের সামনে গুলির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় এক সন্দেহভাজন বন্দুকধারী গুলি ছুড়লে পাল্টা গুলি চালান প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সিক্রেট সার্ভিসের সদস্যরা। এ ঘটনায় ওই ব্যক্তি নিহত হন। গোলাগুলির মধ্যে পড়ে আহত হন এক পথচারী।

সিক্রেট সার্ভিস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হোয়াইট হাউসের বাইরে যখন এমন গুলির ঘটনা ঘটে, তখন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেতরেই ছিলেন।

আল-জাজিরা বলছে, ঘটনার পর ট্রাম্পের রিপাবলিকান দলের কয়েকজন আইনপ্রণেতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করে জানান, প্রেসিডেন্ট অক্ষত আছেন। নিরাপদে আছেন।

ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল শনিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ছয়টার পরপর। সিক্রেট সার্ভিসের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হোয়াইট হাউসসংলগ্ন সেভেনটিন্থ স্ট্রিট ও পেনসিলভানিয়া অ্যাভিনিউ এলাকায় সন্দেহভাজন এক ব্যক্তি ব্যাগ থেকে একটি অস্ত্র বের করে গুলি চালাতে শুরু করেন।

এ সময় সিক্রেট সার্ভিসের সদস্যরাও পাল্টা গুলি ছোড়েন। এ ঘটনায় ওই সন্দেহভাজন ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হন। তাঁকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তিনি মারা যান।

ওই সময় এক পথচারীও গুলিবিদ্ধ হন। তাঁর সর্বশেষ অবস্থা কেমন, তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানা যায়নি। তাঁর পরিচয়ও জানা যায়নি। তবে সিএনএন বলছে, ওই ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা গুরুতর।

সিক্রেট সার্ভিসের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এ ঘটনায় সিক্রেট সার্ভিসের কোনো কর্মকর্তা আহত হননি। গুলির ঘটনার সময় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে অবস্থান করলেও তাঁর সুরক্ষা কিংবা কার্যক্রমে কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি।

হোয়াইট হাউসের বাইরে গুলির ঘটনার পর পুলিশের সতর্ক অবস্থান। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে, ২৩ মে ২০২৬
হোয়াইট হাউসের বাইরে গুলির ঘটনার পর পুলিশের সতর্ক অবস্থান। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে, ২৩ মে ২০২৬
 
সন্দেহভাজন ওই ব্যক্তির নাম-পরিচয় এখনো প্রকাশ করেনি সিক্রেট সার্ভিস। বলা হয়েছে, ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এর বাইরে কোনো তথ্য পাওয়া গেলে, তা প্রকাশ করা হবে।

এ ঘটনার জেরে হোয়াইট হাউসে সাময়িকভাবে ‘লকডাউন’ জারি করা হয়। সেখানে কাউকে ঢুকতে এবং সেখান থেকে বের হতে দেওয়া হয়নি। যদিও পরে ‘লকডাউন’ তুলে নেওয়া হয়েছে। হোয়াইট হাউসের আশপাশের নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। মোতায়েন করা হয়েছে বাড়তি পুলিশ।

গুলির ঘটনার সময় হোয়াইট হাউসের লনে অবস্থান করা সাংবাদিকদের দ্রুত প্রেস ব্রিফিং কক্ষে সরিয়ে নেওয়া হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন এবিসি নিউজের প্রধান হোয়াইট হাউস সংবাদদাতা সেলিনা ওয়াং। ভিডিওটিতে গুলি চলার মুহূর্তটিও দেখা যায়। এ সময় সেলিনা মাথা নিচু করে নিরাপদ আশ্রয় খুঁজছিলেন।

ওই পোস্টে সেলিনা লিখেছেন, ‘আমি হোয়াইট হাউসের নর্থ লনে দাঁড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের জন্য আইফোনে ভিডিও করছিলাম। ঠিক তখনই আমরা গুলির শব্দ শুনতে পাই। মনে হচ্ছিল, একসঙ্গে অনেক গুলি ছোড়া হচ্ছে। এরপর নিরাপত্তাকর্মীরা আমাদের দৌড়ে প্রেস ব্রিফিং রুমে যেতে বলেন। আমরা এখন সেখানেই আছি।’

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
।ফাইল ছবি: রয়টার্স

এর আগে ৪ মে হোয়াইট হাউসের কাছে সশস্ত্র একজন সন্দেহভাজন ব্যক্তির সঙ্গে সিক্রেট সার্ভিসের কর্মকর্তাদের গোলাগুলি হয়। সন্দেহভাজন ওই ব্যক্তি গুলি চালিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। পরে সিক্রেট সার্ভিসের কর্মকর্তাদের গুলিতে তিনি আহত ও পরে আটক হন।

আরও পড়ুন

এরও আগে গত ২৬ এপ্রিল ওয়াশিংটনের একটি অভিজাত হোটেলে হোয়াইট হাউসের সাংবাদিকদের নৈশভোজের সময় গুলির ঘটনা ঘটে। ওই আয়োজনে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সসহ বর্তমান প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

ওই ঘটনায় ট্রাম্প দম্পতিকে দ্রুত হোটেলটি থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। গোলাগুলির ঘটনায় প্রধান সন্দেহভাজন কোল টমাস অ্যালেন ট্রাম্পকে হত্যাচেষ্টাসহ অন্যান্য অভিযোগে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন।

ঈদের আগে অনলাইনে কেনাকাটায় ঠকতে না চাইলে কী করবেন

অনলাইন কেনাকাটা

অনলাইন কেনাকাটা সহজ, কিন্তু সচেতন না হলে বিপদে পড়ার আশঙ্কা থাকে। তাই কেনার আগে যাচাই করুন, বুঝেশুনে সিদ্ধান্ত নিন।

এবার দেখা যাক, অনলাইন কেনাকাটার আগে কী কী বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে:

১. অপরিচিত পেজে অগ্রিম টাকা পাঠাবেন না

শুধু ফেসবুক পেজ দেখে বিশ্বাস করবেন না। ওয়েবসাইট, গ্রাহক রিভিউ, ফোন নম্বর ও ঠিকানা মিলিয়ে নিন। প্রয়োজনে পরিচিত কেউ এই পেজ থেকে পণ্য কিনছেন কি না, তা জেনে মতামত নিন। তাই বিশ্বস্ত মার্কেটপ্লেস থেকে কেনাকাটা করাই নিরাপদ।

২. অস্বাভাবিক কম দামে সন্দেহ করুন

বাজারদরের চেয়ে অনেক কম দামে ব্র্যান্ডের পণ্য বিক্রির অফার এলে সতর্ক থাকুন। অনেক সময় এগুলো প্রতারণার ফাঁদ হয়। তাই এ বিষয়ে সতর্ক থাকুন।

৩. রিভিউ ও কমেন্ট পড়ুন

অতীতের গ্রাহকদের রিভিউ দেখুন। আগের ক্রেতারা কী বলেছেন, তা দেখুন। শুধু ভালো রিভিউ নয়, অভিযোগও খেয়াল করুন।

৪. ক্যাশ অন ডেলিভারি সুবিধা থাকলে সেটি বেছে নিন

পণ্য হাতে পাওয়ার আগে পুরো টাকা পরিশোধ না করাই নিরাপদ। তাই ক্যাশ অন ডেলিভারির সুযোগ থাকলে তা নিন।

৫. পণ্যের ছবি ও বর্ণনা ভালোভাবে পড়ুন

কাপড়ের সাইজ, রং, ফেব্রিক, রিটার্ন নীতি—সব আগে বুঝে নিন। শুধু ছবির ওপর ভরসা করবেন না।

৬. ডেলিভারির সময় নিশ্চিত করুন

ঈদের আগে চাপ বাড়ে। তাই কত দিনে পণ্য পৌঁছাবে, তা আগেই জেনে নিন। ঈদের আগে পণ্য পৌছাবে কি না, তা নিশ্চিত করবেন।

৭. ভুয়া ওয়েবসাইট থেকে সতর্ক থাকুন

ওয়েবসাইটের নাম, বানান ও লিংক ভালোভাবে দেখুন। অনেক প্রতারক পরিচিত ব্র্যান্ডের মতো দেখতে ভুয়া সাইট বানায়।

৮. ব্যক্তিগত তথ্য অযথা দেবেন না

ওটিপি, ব্যাংক কার্ডের পিন বা মোবাইল ব্যাংকিং পাসওয়ার্ড কাউকে বলবেন না। কারণ, এসব অনেক সময় প্রতারণার ফাঁদ হতে পারে।

৯. অর্ডারের স্ক্রিনশট ও রসিদ রেখে দিন

পরে সমস্যা হলে প্রমাণ হিসেবে কাজে লাগবে। তাই অর্ডারের স্ক্রিনশট ও রসিদ সংরক্ষণ করুন।

১০. শুধু ইনবক্সভিত্তিক কেনাকাটায় সতর্ক থাকুন

যেসব পেজে দাম প্রকাশ করা হয় না, শুধু ইনবক্সে যোগাযোগ করতে বলে, সেগুলোর ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা দরকার।

ভ্লাদিমির পুতিনকে যেভাবে পরাজিত করা সম্ভব

ভ্লাদিমির পুতিন

কোনো স্বৈরশাসকই চিরস্থায়ী নন। একদিন ভ্লাদিমির পুতিনও ক্ষমতা থেকে বিদায় নেবেন। সাম্প্রতিক বিভিন্ন প্রতিবেদনে রাশিয়ার অর্থনীতির দুর্বলতা, সমাজে অসন্তোষ এবং তাঁর শাসনব্যবস্থার ভেতরে আস্থাহীনতা বাড়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু তাই বলে পুতিনের পতন খুব কাছাকাছি—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো বোকামি হবে। মৃত্যু অথবা রাশিয়াই কেবল পুতিনকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পারে, আর সেটা কখন বা কীভাবে ঘটবে, তা কেউ জানে না।

ইউরোপসহ বিশ্বের গণতান্ত্রিক দেশগুলো যা করতে পারে, তা হলো তাঁর বহির্মুখী উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে পরাজিত করার জন্য একটি সুস্পষ্ট কৌশল গড়ে তোলা। এমন কৌশলের আটটি উপাদানের একটি অসম্পূর্ণ তালিকা এখানে দেওয়া হলো।

প্রথমত, লক্ষ্য হতে হবে একেবারে পরিষ্কার। পুতিনের লক্ষ্য হলো ইউক্রেনকে বশ্যতা স্বীকারে বাধ্য করা, যতটা সম্ভব রুশ সাম্রাজ্য পুনর্গঠন করা, ন্যাটোর বিশ্বাসযোগ্যতা ধ্বংস করা, ইউরোপীয় ইউনিয়নকে দুর্বল করা এবং পূর্ব ইউরোপের ওপর রাশিয়ার প্রভাবক্ষেত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা। তাঁকে পরাজিত করার অর্থ হলো এসব লক্ষ্য অর্জনে বাধা দেওয়া।

দেশের ফুটবল লিগে আবারও গোলে এগিয়ে বিদেশিরাই
এবারের বাংলাদেশ ফুটব লিগে সর্বোচ্চ গোল ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার দরিয়েলতন গোমেজের

বরাবরের মতোই এবারের বাংলাদেশ লিগেও গোলদাতার তালিকায় বিদেশিরাই এগিয়ে। গতকাল শেষ হওয়া লিগে কিংসের ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার দরিয়েলতন গোমেজ সর্বোচ্চ ১৯ গোল করেছেন। ১৩ গোল নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে ফর্টিসের গাম্বিয়ার ফরোয়ার্ড ওমর বাবু এবং ১১ গোল নিয়ে তৃতীয় আবাহনীর মালির স্ট্রাইকার সুলেমান দিয়াবাতে।

গোলদাতার তালিকার চারে ৭টি করে গোল করে চারজন বিদেশি আছেন যৌথভাবে। স্থানীয় খেলোয়াড়দের মধ্যে সর্বোচ্চ ৬ গোল কিংসের ফয়সাল আহমেদ ফাহিম ও আবাহনীর শেখ মোরছালিনের। আল আমিন ও রাকিব হোসেনেরও তিনটি করে গোল।

বিদেশিদের আধিপত্যের মধ্য দিয়েই দীর্ঘ ৮ মাস খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলার পর অবশেষে কাল শেষ হয়েছে ১০ দলের বাংলাদেশ ফুটবল লিগ। এক রাউন্ড হাতে রেখে আগেই শিরোপা জিতেছে বসুন্ধরা কিংস। গতকাল শেষ দিনে আরামবাগকে ৪–০ গোলে হারিয়ে রানার্সআপ হয়েছে আবাহনী।

বাংলাদেশের ঘরোয়া ফুটবলের শীর্ষে লিগে বরাবরই বিদেশি গোলদাতাদের দাপট দেখা যায়। সর্বশেষ মৌসুমে যেমন সর্বোচ্চ ২১ গোল ছিল স্যামুয়েল বোয়াটেংয়ের, ঘানার এই ফরোয়ার্ড রহমতগঞ্জের হয়ে খেলেছিলেন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৯ গোল ছিল সুলেমান দিয়াবাতের, মালির এই খেলোয়াড় ছিলেন মোহামেডানে।

২০২৩–২৪ মৌসুমে শীর্ষ তিন গোলদাতাই ছিলেন বিদেশি—কর্নেলিয়াস স্টুয়ার্ট (১৯), দিয়াবাতে (১৭) ও দরিয়েলতন (১৪)।

জাতীয় দলের ম্যাচের জন্য বারবার লম্বা বিরতি আর মাঝে জাতীয় নির্বাচনের কারণে এবারের বাংলাদেশ ফুটবল লিগ বেশির ভাগ সময়ই ছিল স্তব্ধ। শেষ পর্যন্ত লিগ শেষ হলেও ঢাকার বাইরের চার ভেন্যুতে ভালো মাঠ না পাওয়া অতৃপ্তি রয়ে গেছে খেলোয়াড়দের মনে। এর মাঝেই পরশু জাতীয় দলের নতুন কোচ টমাস ডুলি ঢাকায় এসেছেন। দু–এক দিনের মধ্যেই শুরু হয়ে যাবে ৫ জুন সান মারিনোর বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচের প্রস্তুতি।

এ দিকে লিগ শেষ হলেও এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগের টিকিট নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে নাটকীয় পরিস্থিতি। চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস বা রানার্সআপ আবাহনী লিমিটেড—দু্ই দলের ওপরই ফিফার খেলোয়াড় নিবন্ধনের নিষেধাজ্ঞা আছে। ফলে এএফসি ক্লাব লাইসেন্সিংয়ে উত্তীর্ণ হওয়া ফর্টিস এফসি ও পুলিশ এফসিকে এবার এই আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে দেখা যেতে পারে।

শাকিবের সঙ্গে রোমান্টিক ছবি দিয়ে সাবিলার মন্তব্য, ‘আগুন শুধুই মীরার’
শুরু হয়েছে ঈদের সিনেমা ‘রকস্টার’–এর কাউন্টডাউন। আর মাত্র পাঁচ দিন রয়েছে সিনেমাটির মুক্তির। সেই খবর জানিয়ে সিনেমাটির নায়ক শাকিব খানের সঙ্গে রোমান্টিক ছবি পোস্ট করে সাবিলা লিখেছেন, ‘যত ফুলই থাকুক, দিন শেষে আগুন শুধুই মীরার

সরকারি ব্যাংকে ৯০৩ সিনিয়র অফিসার পদে চাকরি, জেনে নিন সব তথ্য
সরকারি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ক্যারিয়ার গড়ার বড় সুযোগ এসেছে। ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির (বিএসসি) তত্ত্বাবধানে ৯টি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও ২টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সমন্বিতভাবে ‘সিনিয়র অফিসার (সাধারণ)’ পদে মোট ৯০৩ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্য প্রার্থীদের এই স্থায়ী পদে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ২১ জুন পর্যন্ত অনলাইনের মাধ্যমে আবেদনের সুযোগ পাবেন।

ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠানভিত্তিক শূন্য পদের বিবরণ—

সমন্বিত এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে মোট ১১টি সরকারি প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংকে ৯০৩ জন জনবল নেওয়া হবে। প্রতিষ্ঠানভিত্তিক পদের সংখ্যা—

  • রূপালী ব্যাংক পিএলসি: ৪৭১টি

  • অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি: ২৪০টি

  • বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক: ৮০টি

  • কর্মসংস্থান ব্যাংক: ৩৯টি

  • রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক: ৩২টি

  • বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশন: ২০টি

  • ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ: ১১টি

  • বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসি: ০৫টি

  • বেসিক ব্যাংক পিএলসি: ০২টি

  • আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক: ০২টি

  • প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক: ০১টি

বেতন স্কেল

জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী, এই পদের মূল বেতন স্কেল ২২,০০০–৫৩,০৬০ টাকা। এর পাশাপাশি নিয়মানুযায়ী অন্যান্য প্রদেয় সুযোগ-সুবিধা ও ভাতা প্রদান করা হবে।

আবেদনের শিক্ষাগত যোগ্যতা

  • প্রার্থীকে যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যেকোনো বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অথবা ৪ বছর মেয়াদি স্নাতক/স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রিধারী হতে হবে।

  • মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) বা সমমান এবং তদূর্ধ্ব পর্যায়ের পরীক্ষাসমূহের মধ্যে অন্তত ২টিতে ‘প্রথম বিভাগ বা শ্রেণি’ (অথবা সমমানের জিপিএ/সিজিপিএ) থাকতে হবে।

  • শিক্ষাজীবনের কোনো পর্যায়েই ‘তৃতীয় বিভাগ বা শ্রেণি’ গ্রহণযোগ্য হবে না।

  • ও-লেভেল ও এ-লেভেল পাস করা এবং বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রির ক্ষেত্রে শিক্ষা বোর্ড বা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) থেকে সমমান সার্টিফিকেট মৌখিক পরীক্ষার সময় জমা দিতে হবে।

আরও পড়ুন

বয়সসীমা

১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে আবেদনকারীর বয়স হতে হবে ২১ থেকে সর্বোচ্চ ৩২ বছর।

বাছাই পদ্ধতি

প্রার্থীদের তিনটি ধাপে পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। প্রথমে প্রাথমিক নির্বাচনী (MCQ), এরপর লিখিত পরীক্ষা এবং সবশেষে মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে চূড়ান্ত প্রার্থী মনোনীত করা হবে। অনলাইনে আবেদনের সময় কোনো কাগজপত্র পাঠাতে হবে না, তবে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মৌখিক পরীক্ষার দিন সব সনদের মূল কপি প্রদর্শন ও সত্যায়িত অনুলিপি দাখিল করতে হবে।

আবেদন ও ফি প্রদানের নিয়ম—

  • আবেদন মাধ্যম: আগ্রহী প্রার্থীদের শুধু বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়োগসংক্রান্ত অফিশিয়াল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে ফরম পূরণ করতে হবে।

  • আবেদন ফি: আবেদন ফি বাবদ অফেরতযোগ্য ২০০ টাকা ডাচ-বাংলা ব্যাংক পিএলসির মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘রকেট’-এর বিল পে অপশন ব্যবহার করে জমা দিতে হবে। অনগ্রসর নাগরিক গোষ্ঠীভুক্ত প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত ফি ৫০ টাকা। তাঁরা প্রথমে ২০০ টাকা ফি দিয়ে আবেদন করার পর অবশিষ্ট টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য নির্ধারিত লিংকের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

  • পছন্দক্রম: অনলাইন আবেদনেই প্রার্থীকে সব কটি প্রতিষ্ঠানের পছন্দক্রম সতর্কতার সঙ্গে নির্ধারণ করতে হবে। চূড়ান্ত মেধাক্রম ও পছন্দক্রমের ভিত্তিতে প্রার্থীকে নির্দিষ্ট ব্যাংকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হবে।

  • ট্র্যাকিং পেজ সংগ্রহ: ফি প্রদানের পর অবশ্যই ‘Payment Verify’ সম্পন্ন করে ট্র্যাকিং পেজটি ডাউনলোড ও প্রিন্ট করে নিজের কাছে সংরক্ষণ করতে হবে।

অনলাইনে আবেদনের শেষ সময়: ২১ জুন ২০২৬, রাত ১১:৫৯ মিনিট।

আবেদন ফি প্রদান ও পেমেন্ট ভেরিফাইয়ের শেষ সময়: ২৩ জুন ২০২৬, রাত ১১:৫৯ মিনিট।


Post a Comment

Previous Post Next Post